অনলাইন মার্কেটিং এর টপ ব্লগঃ শিষ্য থেকে যে ভাবে গুরু হবেন

অনলাইন মার্কেটিং এর টপ ব্লগ অথবা ভাল মানের লেখা যদি আপনি প্রতিদিন উপহার দিতে চান তাহালে আপনাকে অবশ্যই প্রত্যেক দিন অন্যের লেখা পড়তে হবে। আপনি যত পড়বেন তত আপনার ভাবনার ধাপ সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকবে। কখন কি মনে হইছে, “ইস! আরও একটা বছর মনেহয় চলে গেল। এই বছরেও মনেহয় কিছু করতে পারব না”। চিন্তা কইরেন না, আমার মনেহয় এমন কেউ নেই যে এই ঝামেলার সম্মুখীন হয় নাই।

আপনার কি মার্কেটিং প্লান করতে সমস্যা হচ্ছে? আপনি যদি একটু গুগলের কাছে ভাল ভাবে প্রশ্ন করতে শেখেন আমি নিশ্চিত অনেক ভাল ভাল উত্তর পাবেন।

আসলে, আমাদের প্রথম সম্যসা হল কোন কিছু নিয়ে বসে থাকতে পারি না (আমিও)। কেউ যদি একজন এসে বলে “ডাটা এন্ট্রি করেত, আমি গুলশানে বাড়ি কিনুম ভাবতেছি।” আর সাথে সাথে আপনি আগে যেইডা শিখতে ছিলেন ঐটা বাদ দিয়ে নতুন করে ডাটা এন্ট্রি শেখা শুরু করে দিলেন। ভাই, খাড়ান কথা আছে।

ডাটা এন্ট্রি করে গুলশানে আলিসান বাড়ি করতেছে কথা সইত। কিন্তু, পরে যদি আবার কোন দিন দেখা হয় তাহলে শুনে দেইখেন কত দিন সময় লাগছে তার ঐ ডাটা এন্ট্রি শিখতে? গুলশানে হালাল উপায়ে আলিসান বাড়ি কিনতে গেলে সমপরিমাণে পরিশ্রম তার করা লাগছে।

আপনি যদি দুই দিন শিখেই মনে হয়ে গেছে মনেকরেন তাহলেত আর কিছু বলার নাই। এই আর্টিকেলটা পড়ার দরকার নাই, যদি আপনার জীবনে ঠিক ঐরকম ঘটনা বার বার ঘটে। যা করতেছেন মনে দিয়ে করেন, ভাল ফল পাবেন। আবার, যদি আপনার কাছে মার্কেটিং মানে কোটি কোটি টাকা মনে হয় তাহলে এই আর্টিকেলের আর নিচের দিকে পড়ে লাভ নাই। শুধু শুধু সময় তাই নষ্ট হবে। এর থেকে টম এন্ড জেরি দ্যাখেন কাজে দেবে। আপনি যদি এখনো এই আর্টিকেল পড়তে থাকেন তার মানে হল মার্কেটিং নিয়ে আপনি অনেক বেশি সিরিয়াস। আপনি মনেকরেন, সঠিক পথ ধরে মার্কেটিং নিয়ে পড়ে থাকলে কিছু একটা হবে না, নিশ্চিত ভাল কিছু হবে।

আপনি যে নিস নিয়ে কাজ করছেন আপনি যদি মামুর কাছে একটু সময় বসে খুঁজাখুঁজি করেন তাহলে হাজার হাজার ব্লগ পাবেন। আপনাকে প্রথম পেজে আসতে হলে ঐ হাজার হাজারকেই টপকে প্রথমে আসতে হবে। এই খানে কিছু মার্কেটিং ব্লগ নিয়ে আলোচনা  করা হবে। আপনি যদি একটু ভালভাবে খেয়াল করেন তাহলে দেখবেন এক একটা ব্লগ, অন্যটা থেকে প্রায় সম্পূর্ণ ভিন্ন পথ অবলম্বন করে। আর্টিকেলটা পড়ে শেষ করার পর আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন, কি কারণে ঐ ব্লগ গুল আজকে সাফল্য পাইছে। তখন আপনার মনেহয় বুঝতে অসুবিধা হবে না, আপনার জন্য আসলে এখন কোনটা করা দরকার? কি করলে আপনি অনেক সাফল্য পাবেন।

এক নজরে বিস্তারিত

চলেন শুরু করা যাকঃ

আপনি কতটা নিয়মিতঃ

কনটেন্ট মার্কেটিং ইন্সটিউট এমন একটা জায়গা, যে খানে নিয়মিত ভাবে দেখবেন আর্টিকেল পাবলিশ হচ্ছে। সব থেকে বড় কথা আপনি যদি একটু  তাদের ব্লগ ক্যাটাগরিটা খেয়াল করেন তাহলে দেখবেন সম্পূর্ণ নতুন নতুন টপিকের উপর তাদের নিয়মিত লেখা আছে। আপনি এই খান থেকে যে জিনিসটা শিখতে পারেন, নিয়ম মেনে চললে মানুষ যে কোন খানে পৌছে যেতে পারে তা ধরনার বাইরে।

হেডলাইনঃ

আপনি যখন আর্টিকেল লেখেন তখন হেডলাইন কে যদি আপনি বেশি গুরুত্ব না দেন, তাহলে আপনার সব পরিশ্রম বৃথা যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। হেডলাইন একটা মানুষের উপাধির মত। আপনার নামের আগে অর্থনীতিবিদ লেখা থাকে তাহলে আমার বুঝতে অসুবিধা হবে না, আপনি কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে বেশি আগ্রহ পান। এইটা কিন্তু আমি জানছি আপনার নাম থেকে। আপনি যদি কপিব্লগারের কাছে যান তাহলে ভালভাবে শিখতে পারবেন কি ভাবে হেডিং দিতে হয়। আপনি এই ব্লগটা পোস্ট দেখলে আরো ভালভাবে বুঝতে পারবেন। প্রত্যেকটা পোস্ট দেখবেন মোটামুটি ১০০০+ শব্দের বেশি এবং সাবহেডিং দিয়ে কত সুন্দর করে প্রজেন্ট করা। আপনার পড়া শুরু করলে কখন বিরক্ত হওয়ার কোন সুযোগ নেই।

মনের মত আর্টিকেলঃ

আমি প্রত্যেক সপ্তাহে শুক্রবারে বাড়ি। এর মুল কারণ হল মায়ের হাতের রান্না। আপনার কি এমন কোন জায়গা আছে যেখানে গেলে আপনার  মনের আবহাওয়া একটা শান্তি শান্তি ভাব বিরাজ করে। ব্যাকলিঙ্কো, আমার কাছে ঠিক ঐ রকম একটা জায়গা। এই খানের আর্টিকেলের কুয়ালিটি, বিশদ আলোচনা এবং প্রত্যেকটা আর্টিকেল দেখবেন কয়কশ কমেন্ট, মাঝে মাঝে কোনটায় হাজার ছাড়িয়ে গেছে। আপনি এই খান থেকে যে জিনিসটা শিখতে পারেন তাহলে কি ভাবে রিডারের মনের কথা খুব ভাল ভাবে বুঝে যাওয়া যায়।

ঠিক জায়গায় আঘাত করেনঃ

আর্টিকেলের এর টাইটেল এমন ভাবে দেয়ার চেষ্টা করেন, যেন যে কোন ভিজিটরকে ডিরেক্ট একটা  উপদেশ প্রকাশ করে। আপনার আর্টিকেলের হেডিং দেখে যেন মনেহয় এই আর্টিকেলটা পড়ার পর আমার সাইটা হয়ত আরো একধাপ এগিয়ে যাবে। আর্টিকেলের সুন্দর হেডলাইন দেয়ার পর, কি ভাবে তাকে ফোকাস করতে হয় এইটা খুব ভাল ভাবে শিখতে আপনি কুইকস্পারুট কে ফলো করতে পারেন। যে কোন একটা সাম্প্রতিক পাবলিশ হওয়া আর্টিকেল পড়লেই আপনি এই জিনিসটা আরো ভালে ভাবে বুঝতে পারবেন।

সব কিছু এই খানেঃ

মনেকরেন, আপনি সবজি কিনতে বাজারে গেলেন। সেখানে যেয়ে আপনি সব ধরনের সবজি এক জায়গায় পাবেন। কিন্তু যদি এই রকম হয়, যে খান থেকে আপনি বেগুন কিনলেন সেখান থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে ঝালের দোকান তাহলে কি আপনার ভাল লাগবে। মাথা গরম হয়ে যাওয়ার কথা। এই খান থেকে আপনি যদি ২০০৬ সালের কথা ভাবেন তখন বেশি বড় আর্টিকেল গুল ভাল র‍্যাঙ্ক পেত না, কিন্তু সে দিন চলে গেছে। বড় আর্টিকেল সাথে যদি থাকে কুয়ালিটি তাহলে র‍্যাঙ্ক পাওয়ার জন্য আপনার কষ্টের লেভেল প্রায় শূন্যের কোঠায় চলে আসবে। প্রত্যেকটা আর্টিকেল কে কি ভাবে সুন্দর সুন্দর গল্প দিয়ে বোঝান যায় তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ হল কনভার্সনএক্সল

ছবি কই?ঃ

আর্টিকেল লেখার সময় ঠিক জায়গা মত ঠিক ছবি বসাতে পারা একটা অসাধারণ দক্ষতা। আর সব থেকে বড় কথা হল একটা ব্লগকে সাকসেস এনে দিতে ইমেজ অনেক কাজের একটা উপকরন। কনভিঞ্চ এন্ড কনভার্ট আপনাকে হাতে ধরে শেখাবে কোন পোস্টে কখন কি ভাবে ইমেজ ব্যবহার করতে হয় এবং কি ভাবে ইমজেরে স্পামিং থেকে পোস্ট কে বাঁচানো যায়। আপনি যদি এই পোস্টটা ওপেন করেন তাহলে দেখবেন এই পোস্টে মাত্র তিনটা ইমেজ ব্যবহার করে, কিন্তু এত বড় পোস্টে মাত্র তিনটা ইমেজ। আপনার মনেহতে পারে, আমি হইলে অন্তত ১০ ইমেজ ব্যবহার করতাম। আসলে, কিন্তু ব্যপারটা একদমই ঐ রকম না। আপনি জানেন ইমেজ ব্যবহার করতে হয় আর তারা জানে কি ভাবে ইমেজ ব্যবহার করতে হয়।

অনলাইন মার্কেটিং কেস স্টাডিঃ

আপনি যদি জেনে থাকেন উনিক এবং রিডার এঙ্গেজ  আর্টিকেলের গুরুত্ব কত টুকু তাহালে আপনি খুব ভাল ভাবেই জানেন এই ধরনের আর্টিকেল তৈরি করা কতটা কঠিন + সময়ের ব্যাপার। তবে, কেস স্টাডি হতে পারে আপনার জন্য সব থেকে ভাল সমাধান। মোজ কেস স্টাডি পাবলিশ করাকে একটা নতুন পর্যায় নিয়ে গেছে। আপনি যদি কোন আর্টিকেল ওপেন করেন তাহলে দেখবেন, আর মনেহবে এরা কি ডাটা ছাড়া কথা বলতে পারে না। এর ভাষা মনে হয় নাম্বার। প্রত্যেকটা কেস স্টাডিকে খুভ ভাল ভাবে উপস্থাপন করা, স্ক্রিনশট সাথে থাকবে উদাহরণ এবং কি কৌশল অবলম্বন করবেন সেই সম্পর্কে খুব একটা বর্ণনা। আমার মনে হয় কাওকে হাতে কলমে সেখানর জন্য এর থেকে আর কিছু দরকার হয় না।

অনলাইন মার্কেটিং এর টপ ব্লগঃ শিষ্য থেকে যে ভাবে গুরু হবেন

সোশ্যাল মিডিয়াঃ

আপনি হয়ত খুব ভাল ভাবেই জানেন সোশ্যাল মিডিয়াকে ভাল ভাবে কাজে লাগাতে পারলে রাঙ্ক পেতে একটু সোজা হয়ে যায়। আপনি যদি সোশ্যাল মিডিয়াকে কি ভাবে কাজে লাগাতে হয় এইটা শিখতে চান তাহলে টপরাঙ্ক মার্কেটিং কে ফলো করতে পারেন। আপনি যদি তাদের প্রত্যেকটা আর্টিকেল একটু ভাল ভাবে খেয়াল করেন তাহলে দেখবেন প্রত্যেকটা আর্টিকেলের সাথে টপ সোশ্যাল মিডিয়ার আইকন গুলা দেয়া আছে এবং সাথে কত শেয়ার হল ঐ অপশন। আপনি যদি কোন আর্টিকেলে যেয়ে দেখেন ২০০+ শেয়ার করা আছে ফেসবুকে, তখন আপনার কাছে মনেহবে এই আর্টিকেলের অবশ্যই কুয়ালিটি আছে, তানাহলে কেন অত গুল শেয়ার থাকবে। তখন হয়ত আপনি নিজেই ঐ আর্টিকেলটা শেয়ার করে দিবেন।

সৎ সঙ্গঃ

আপনার চরিত্র কেমন এইটা আপনি যাদের সাথে ঘুরা ফেরা করেন, এইটা দেখলেই ভাল ভাবে বোঝা যাওয়ার কথা। সুতরাং, আপনার আর্টিকেল যখন কাওকে রিফার করবেন অবশ্যই তার যেন ভাল মানের কুয়ালিটি থাকে। তার কুয়ালিটির অবস্থা যদি বেশি ভাল না থাকে তাহলে রিডার আপনারে নিয়ে কনফিউসড হয়ে যাবে। আপনার কোন নিজেস্ব আর্টিকেলো যদি কখন রিফার করেন তাহলে দেখবেন ঐ আর্টিকেল কি আসলে আপনি যার সাথে লিংক করতে চাচ্চেন তার সাথে মিল আছে কি না। এই ব্যপারাটা শেখার জন্য আপনি ইকনসালটেঞ্ছি কে ফলো করতে পারেন।

রেসপঞ্চ করুনঃ

আপনি একটা পোস্ট দিলেন আপনার সাইটে। এখন আপনার ঐ পোস্ট পড়ার পর অনেকের ভাল লাগবে এবং তারা কমেন্ট করবে এইটা স্বাভাবিক। কিন্তু, আপনি যদি তার কোন উত্তর না দেন, তাহলে এইটা অস্বাভাবিক। আপনাকে কেউ যদি অনেক ভাল বলে অথবা কোন একটা ভুল ধরায় দেয় তাহলে আপনার উচিৎ হবে কিছু না পারেন অন্তত তাকে একটা ধন্যবাদ দেয়া। আপনি যদি কখন নীল পাতিলের কোন আর্টিকেল পড়েন তাহলে এই ব্যাপারটা আরো ভাল ভাবে বুঝতে পারবেন। কি ভাবে প্রত্যেকটা কমেন্টের রিপ্লে দিতে হয়।

বাদ যাবে না কোন শিশুঃ

আমাদের দেশের পোলিও খাওয়ানর সময় এই ফর্মুলা ব্যবহার করা হয়। তাদের উদ্দ্যেশ্য কিন্তু টিকা দান এবং কোন শিশু যেন ঐ টিকা খাওয়া থেকে বাদ না পড়ে। আপনার সাইট যে কোন নিসের উপর হতে পারে। আপনি হয়ত কিছু দিন পর পর কিসের উপর লিখবেন এই নিয়ে খুব ঝামেলায় পড়েন। আসলে, ব্যপারটা কিন্তু একদমই ঐ রকম না। আপানি যে নিসের উপর কাজ করছেন আপনি যদি একটু ভাল ভাবে খেয়াল করেন তাহলে দেখবেন প্রায় সময় নতুন কিছু নিউজ, কোন ট্রেন্ড নতুন ভাবে চলে আসছে। প্রত্যেকটা নতুন জিনিস কে নিয়ে আপানি লিখতে পারেন। নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে জানার জন্য আপনি গুগল এলারট কে ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু, এই লেখা গুল কে কি ভাবে বিভিন্ন দৃষ্টি কোন থেকে লিখতে হয় এইটা জানার জন্য আপনি সোশ্যাল মিডিয়া এক্সামিনার কে ফলো করতে পারেন। তাদের প্রত্যেকটা আর্টিকেল দেখলেই আপনি বুঝতে পারবেন কি ভাবে নিজের নিজের নিসের উপর বিভিন্ন ভাবে লেখা সম্ভাব।

কুমিরের লেজ খাঁচ কাটা, খাঁচ কাটাঃ

এইটা একটা ছোট গল্পের টাইটেল। যে খানে একটা বাচ্চা যে কোন কিছু লিখতে দিলেই সে লিখতে লিখতে কুমিরের লেজ নিয়ে  লেখা শুরু করে। আপনার আর্টিকেল ও যদি ঠিক এই রকম হয় তাহলে কিন্তু ঝামেলা। সব সময় আপনার হেডিং কি মনে রাখেন। আপনার ভিজিটর আসছে একটা বিষয় নিয়ে জানার জন্য, ঐ খানে যত পারেন ঐ ব্যাপার নিয়ে কথা বলুন। মনেকরেন, আপনি একটা জিনিস কি ভাবে প্রতিরোধ করতে হয় ঐ ব্যাপার নিয়ে লিখতে বসলেন, কখনই চেষ্টা করবেন না ঐ আর্টিকেলের মধ্যে নিয়ন্ত্রন নিয়ে আসতে। প্রতিরোধ মানে হল, আপনার এখন ঐ জিনিস হয় নাই, আপনি চেষ্টা করছেন যেন না হয়। আর নিয়ন্ত্রন হল আপনার ঐ ঝামেলা এর মধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। আপনি এখন জানার চেষ্টা করছেন কি ভাবে তাকে নিয়ন্ত্রনে রাখা যায়। কি ভাবে টপিক কে ফোকাস করে লেখা যায় এইটা জানার জন্য আপনি এক্সপেরিমেন্ট ইঞ্জিন কে ফলো করতে পারেন।

বেশি এক্সপার্টঃ

অনেক বেশি এক্সপার্ট যদি এক সাথে থেকে কাজ করা যায় এবং লক্ষ্য যদি এক থাকে তাহলে সাফল্য সেখানে অবশ্যম্ভাবী। এই বেপারটাই বোঝার জন্য আপনি সার্চ ইঞ্জিন ওয়াচ কে ফলো করতে পারেন। আপনি সেখানে দেখবেন অনেক ভাল মানের অথর আছে এবং তারা নিয়মিত লিখে যাচ্ছে। এই মাল্টি অথরের সুবিধা হল, বিভিন্ন ধরনের আর্টিকেল পাবলিশ হওয়ার সুজগ থাকে। যা আপনার ভিজিটরকে নতুন নতুন ভাবে কোন কিছু ভাবতে শেখাবে।

অথোরিটিঃ

এই শব্দটা এখন অনেক বেশি মাত্রায় ব্যবহার হয়। এই শব্দটা আপনি যদি আপনার সাইটের সামনে আনতে চান তাহলে আপনাকে অর্জন করতে হবে, এইটা এমন না যে আপনাকে আমি গিফট করলাম। ঠিক পিএইচডি ডিগ্রি নেয়ার মত। আপনি এখন যে নিস নিয়ে কাজ করছেন, গুগলে সার্চ করলে কয়েক হাজার সাইট পাওয়া যাবে ঠিক ঐ সাইটের উপর। আপনি এখন যে কিওয়ার্ড নিয়ে কজা করছেন, ঐ কিওয়ার্ড দিয়ে গুগলে সার্চ করলেও ঠিক একই ঘটনা ঘটবে। তাদের আর্টিকেল গুল পড়লে আপনি বুঝতে পারবেন মূল ভাব প্রায় সবার একই। এখন আপনার কাজ হবে একটু ভিন্ন ভাবে লেখার চেষ্টা করা। যে কারণে আপনাকে অন্যদের থেকে খুব দ্রুত আলাদা করা যায়। গান ইচ্ছা করলে আপনি আমি সবাই গাইতে পারব, কিন্তু এন্ড্রো কিশোরের কণ্ঠে শুনতে যত ভাল লাগবে মনে হয় ততটা ভাল লাগবে না, যদি আমি চেষ্টা করি। আপনার কাছে মনে হতে পারে তার সুরের কণ্ঠ কিন্তু জন্ম থেকেই সুন্দর। আসলে, ব্যপারাটা একদমই ঐ রকম না। কি পরিমানে পরিশ্রম করা লাগছে, কোন সুযোগ পাইলে একটু খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন। আর এই সবার থেকে ভিন্ন হয়ে নিজেকে প্রমাণ করার জন্য আপনি ব্রায়ান সলিস কে ফলো করতে পারেন।

অপেক্ষায় রাখবেন নাঃ

আর্টিকেল লেখার সময় চেষ্টা করেন, ঐ টপিকের সব কিছু ভালে ভাবে আলোচনা করার। কোন কিছু কোন সময় হাফ ডান করে রাখা ভাল কথা না। ভিজিটর আপনার আর্টিকেল পড়া শুরু করল, লাস্ট লাইন পড়ার পর তার যদি মনে হয় “বাকি অংশ কই?” তাহলে ব্যপারটা একদম ই সুখকর হবে না। আর্টিকেল শেষ হওয়ার পর আপনার যদি কখন মনেহয় এই আর্টিকেল টা পড়ার পর অন্য একটা আর্টিকেল পড়া খুব ভাল কাজের হবে। তাহলে সাথে সাথে লাস্টে লিংক দিয়ে দেন। আউটপুট খুব ভাল হওয়ার কথা স্বাভাবিক। যদি রিডার আপনার আর্টিকেলে ক্লিক করে যেয়ে দ্যাখে আসলেই লেখাটা অনেক সুন্দর। তাহলে দেখবেন পরবর্তীতে আপনার রিকমেন্ড করা প্রত্যেকটা আর্টিকেল সে মঞ্জোগ দিয়ে পড়ছে। এখন কথা হল, কি ভাবে আপনি আর্টিকেল রিলেটেড আর্টিকেল গুল শো করবেন। তার জন্য আপনি এই সাইটকে ফলো করতে পারেন।

সংখ্যা যখন ভাষাঃ

আপনি যদি কোন আর্টিকেলে বেশি রিডার এঙ্গেজ করতে চান তাহলে আপনার প্রথম কাজ হবে তথ্য নির্ভর আর্টিকেল লেখা। আপনার আর্টিকেলে আপনি যত বেশি ডাটা ব্যবহার করতে পারবেন, তত আপনার জন্য সুবিধা। আপনার আর্টিকেল পড়ার পর ভিজিটর ভাবা শুরু করবে, তার কত টুকু প্রফিট আসতে পারে যদি সে এই প্লান ফলো করে। মনেকরেন, আপনার আর্টিকেলের কোন এক জায়গায় আপনি উল্ল্যেখ করলেন আপনার কনভার্সন রেট প্রায় ৩০%। তাহলে আপনার ভিজিটর ঐ আর্টিকেল পড়ার পর মনে করবে আমি যদি এই প্লান ভাল ভাবে ব্যবহার করতে পারি অন্তত ২০% কনভার্সন রেট পাব, যা আমার বর্তমান প্রফিট থেকেও অনেক বেশি। ঐ ভিজিটর কিন্তু পরবর্তী আবার আপনার কাছে আসবে দেখার জন্য যে আপনি নতুন কোন প্লানের কথা বলছেন কিনা যদি আপনার লাস্টের ডাটাটা কাজের হয়। এইযে ডাটার ব্যবহার এইটা জানার জন্য আপনি বাফার কে ফলো করতে পারেন। আপনি হয়ত বাফার কে অন্য কাজে ব্যবহার করেন, কিন্তু বাফারের ব্লগটা কিন্তু এক কথায় অসাধারণ।

সুচনাঃ

ছোট বেলায় কোন পরীক্ষা দিতে যাওয়ার আগে গুরুজনরা উপদেশের মধ্যে অন্যতম ছিল “প্রথম যে প্রশ্নটা খুব ভাল উত্তর দিতে পারবি, ঐ টা সবার আগে লিখবি, তারপর অন্য গুল।” মানেহল আপনার পরীক্ষার খাতার সুচনাটা যেন ভাল হয়। যিনি খাতা দেখবেন প্রথম প্রশ্নের উত্তর পড়ার পর মনেহবে “ছাত্র ভাল আছে।” আপনার আর্টিকেলের ক্ষেত্রেও ঠিক একই কথা প্রযোজ্য। এমন ভাবে সুচনা দেয়ার চেষ্টা করেন, যেন বাকি অংশ টুকু ভিজিটরের পড়তে ভাল লাগে। এই সুচনা ভাল করে লেখার জন্য আপনি এই সাইটের আর্টিকেল গুল পড়তে পারেন। দেখবেন, প্রত্যেকটা আর্টিকেলের সূচনাটা পড়ার পর আপনার মনে হবে টোটাল আর্টিকেল টা পড়া দরকার।

মাটি অথবা হীরাঃ

মাটি কিন্তু হিরার থেকে আমার কাছে মনে হয় হাজার হাজার গুণ মুল্য বেশি। কিন্তু, তারপরো কেন মাটির কোন মুল্য নেই। অথচ হীরার মূল গুগলে সার্চ করলে বুঝতে পারবেন। এই খানে যে ব্যাপারটা বেশি গুরুত্ব পায় তাহল ইউনিক। আমি আগেই বলছি আপনার নিসের উপর হাজার হাজার সাইট আছে, কিন্তু আপনি যদি কোন একটা জিনিস ইউনিক ভাবে তুলে ধরতে পারেন নিয়মিত, তাহলে সবাই আপনাকে একটু আলাদা ভাবে দেখবে। যে কারণে, আপনি অন্যদের থেকে খুব দ্রুত ভাল কিছু করা শুরু করবেন। আপনার সাথে যারা কম্পিট করছিল তাদের হয়ত ঐ পজিসনে পৌছাইতে কয়েক বছর লেগে গেছে কিন্তু আপনি সেখানে ৬ মাসে চলে যেতে পারেন। আর এই টা সম্ভাব শুধু মাত্র ইউনিক হওয়ার কারণে। এই ইউনিক হওয়ার সুবিধা এবং প্লান জানতে আপনি মার্কেটিংপ্রফস কে ফলো করতে পারেন।

 কাস্টমার ব্যবসায়র মূল চালকঃ

মনেকরেন, আপনার একটা ব্লগ আছে যেখানে আপনি নিজের লেখা গুল শেয়ার করেন, কিন্তু দেখলেন কোন পড়ার মত কেউ নেই। তাহলে, আপনার ব্লগ এখন অনেকটা আপনার গোপন ডায়রি এর মতই। এই জন্য আপনাকে সব সময় ঐ বিষয় গুল নিয়েই কথা বলার চেষ্টা করতে হবে যে গুল মানুষ এখন আলচনা করছে। এইটা জানার জন্য আপনি স্যোসাল মিডিয়া সব থেকে ভাল উপাদান। আপনার পত্রিকা পড়ার দরকার নেই। ফেসবুকে আপনার যদি কয়েক’শ ফ্রেন্ড থাকে তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন দেশের বর্তমান অবস্থা ক্যামন। আপনার সকল কাজের মূল উদ্দ্যেশ্য কি? কাস্টমারকে সন্তুষ্ট রেখে প্রফিট বাড়ান। এই কাস্টমারকে

  1. কি ভাবে সন্তুষ্ট রাখতে হয়?
  2. কি ভাবে তার মনের মত আর্টিকেল, কাজ দিতে হয়।
  3. তার কাছে কি ভাবে সঠিক সময়ে পৌছান যায়
  4. কি ভাবে পৌছান যায়

এই ব্যাপার গুল বোঝার জন্য আপনি সোশ্যাল মিডিয়া টুডে কে ফলো করতে পারেন।

ফরমালিন মুক্ত মালঃ

আমার মনে হয় সাবহেডিং দেখেই বুঝতে পারছেন, এই খানে আমি কি বলার চেষ্টা করছি। আপনার আর্টিকেলে চেষ্টা করেন বেশি বেশি তথ্য দেয়ার এবং অল্প কথায় প্রথম দিকে বুঝিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন আপনি কি নিয়ে পরবর্তী আলোচনা করবেন। আর্টিকেলে পরবর্তী যদি কোন ধরনের উল্টা পাল্টা লেখা পাওয়া যায় তার মানে হল ভেজাল দেয়া শুরু করছেন। এই ভেজাল থেকে যতটা পারেন দূরে থাকেন। এই ভেজাল মুক্ত থাকার জন্য সার্চ ইঞ্জিন জার্নাল কে ফলো করতে পারেন।

যে লেখা পড়া উচিৎঃ

আপনি Eros Now এর ইউটিউব চ্যানেলটা একবার ঘুরে আসেন তাহলে এই সাবহেডিংটা বুঝতে আপনার অনেক সুবিধা হবে। মনেকরেন, তাদের ভিডিওতে কোন কোন টাইটেল এমন এই রকম “Jackie Shroff wants his money back!”। এইটা দেখার পর মনেহবে, একটু ভিডিও টা দ্যাখি। কিন্তু পরে যেয়ে দেখলেন “welcome  3” মুভির একটা দৃশ্য। এইরকম যেন আপনার আর্টিকেল না হয়। আপনার আর্টিকেলের টাইটলে যদি  হয় দেখেই পড়ার মত, তাহলে ভিতেরর কনটেন্ট কেও ঠিক ঐ রকম করে লেখার চেষ্টা করুন। আপনি যদি কখন সার্চ ইঞ্জিন রাউন্ড টেবিলে একটু পড়ার সুযোগ পান তাহলে বুঝতে পারবেন।

কি কি করিলে কি হয়ঃ

বাংলা নিউজ সাইটের একটা জনপ্রিয় টাইটেল মনে হয় “মেয়েদের মন পাওয়ার ৫ শর্ত”। আমি বাংলা নিউজ সাইট গুল শুধু টাইটেলের জন্য পড়ার চেষ্টা করি। এদের টাইটেল দেখলেই আপনার মনেহবে, এইটা পড়া উচিত। মনেকরেন, মেয়েদের মন কি ভাবে পাওয়া যায় হয়ত এই টাইটেলের উপর অনেক আর্টিকেল পাবেন কিন্তু মাত্র ৫ টা শর্ত মানলেই হয়ে যাবে এমন আর্টিকেল আপনি বেশি একটা পাবেন না। ঠিক ঐ রকম আপনার আর্টিকেল আপনি যদি কত গুল টিপস ফলো করলে তার গোলে পৌছাতে পারবে তার পরিমাণ ভলে দেন, তাহলে আরো বেশি আকর্ষণীয় হবে। এই ধরনের লিস্ট আর্টিকেল পড়ার জন্য আপনি কিসমেট্রিক্স কে ফলো করতে পারেন। এই খানের দুইটা উদাহরণ দেখলেই আপনি বুঝতে পারবেনঃ 3 Steps to Put Customer Acquisition on Autopilot এবং 5 Things to Know About Today’s SaaS Customer

অবস্থা কেমন? ঃ

আপনি যদি কোন কিসুর উপরে রিভিউ খোজেন তাহলে ইন্টারনেটে সঠিক রিভিউ খুঁজে পাওয়া একটু কঠিন হয়ে যাবে। আর রিভিউ কিন্তু, যে কোন কিসুর উপর হতে পারে। আপ্নাই চিন্তা করলেন আপনার এলাকার যত গুল চটপটির দোকান আছে তার প্রত্যেকটার উপর একটা করে রিভিউ লিখবেন। কোন সমস্যা নেই লেখা শুরু করতে পারেন। ঠিক এইকরম মার্কেটিং রিলেটেড সঠিক রিভিউ সাইট হল প্রব্লগার। এই ধরনের ব্লগের সব থেকে ভাল ইনকাম হল এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।

যে কাস্টমার যে মালে খুশিঃ

আপনার কোম্পানির হয়ত একের বেশি ব্লগ আছে, অথবা আপনার মনে হচ্ছে  একের অদিক ব্লগ আপনার দরকার। এই ব্যাপারটা একটু কমপ্লেক্স। কারণ, আপনি কি ভাবে তকখন ঐ গুল শো করবেন। এই ব্যপারটা ভাল ভাবে দেখানর জন্য হাবপস্টের কাছ থেকে শিক্ষা নিতে পারেন। মার্কেটিং, এজেঞ্চি এবং সেলস প্রত্যেকের জন্য আলাদা হোম পেজ তৈরি করা।

সেকেন্ডের ব্যবহারঃ

আমি প্রায় সময় একটা কথা শুনি, সময় ম্যানেজ করে উঠতে পারি না। কত কাজ করা লাগে। আইচ্চা, আমাকে একটা প্রশ্নের উত্তর দেন “সর্বশেষ কোন জিনিসের পেছনে ৪ ঘণ্টা করে প্রত্যেকদিন সময় দিছেন নিয়মিত ১৮০ দিন, কিন্তু সাফল্য পাননি এমন কোন কিছু কি আছে?” আমি নিশ্চিত নেই। আপনি যদি এখন বলেন আপনি সফল কোন একটা বিষয় নিয়ে, তাহলে আপনি যদি হিসাব করেন তাহলে ঐ সফল জিনিসটার পেছনেও ঐ পরিমাণে সময় দেননি। একটা মানুষ যদি ইচ্ছা করে তাহলে কি ভাবে একটা ব্লগকে ওয়ার্ল্ডের বেস্ট ব্লগ্র মধ্যে নিয়ে আসতে পারে তার প্রমান হতে পারে কনভার্সন এ্যাজেন্ট। জিবনের প্রত্যেকটা সেকেন্ড কে ভাল লাগার সাথে কাটানোর চেষ্টা করেন। নেশা কে পেশায় পরিণত করতে পারলেই তখনই একমাত্র সম্ভাব।

নতুন রাস্তা দেখানঃ

এইটা অনেক একটা সেই প্রতিরোধ আর নিয়ন্ত্রণের মধ্যে যে ভিন্নতা আছে সেইটা বোঝানর মত। ঠিক এই প্লান ফলো করেই ইন্টারনেট মার্কেটিং নিঞ্জাস আজকে সফল। প্রত্যেকটা আর্টিকেল সম্পূর্ণ ক্লাসিফাইড, সাথে সাবহেডিং গুল দিয়ে ভাল ভাবে বোঝান। আর সাথে আছে ডাটা, যা দেখার পর আপনার মনে হবে “হুম, কথা সইত”। বিশ্বাস করেন আর নাই করেন, বেশির ভাগ রিডার আপনার আর্টিকেল দেখার পর চিন্তা করবে তার প্রমান কই। অনেক সময় হয়ত আপনার কাছে প্রমাণ থাকবে না, তার জন্য আপনার উচিত হবে ভাল মানের রেফারেঞ্চ ব্যবহার করা।

ভিডিওঃ

ভিডিও মার্কেটিং এর কথা আলোচনা হবে আর সেখানে রিলএসইও থাকবে না, এইটা হওয়া সম্ভাব না। আপনি তার কাছ থেকে টিপস, টিউটোরিয়াল এবং ভাল মানের উপদেশ পাবেন। আপনি যদি প্রত্যেকটা আর্টিকেলের একটা করে ভিডিও করে দিতে পারেন, তাহলে আপনার কমপিটিটর থেকে আপনি অন্তত কয়েক ধাপ সামনে এগিয়ে থাকবেন।

অলংকারঃ

সাইডবারকে আমার অংকারের মত মনেহয়। তবে এই খানে কথা আছে, যদি ভাল ভাবে ব্যবহার করতে পারেন তাহলে অলংকার আর না হলে বাঁশ। এই সাইডবার কে পারফেক্ট ব্যবহার করার জন্য আপনি আনবাউঞ্চ কে ফলো করতে পারেন। ঐ খানে যদি আপনি একটু ভাল ভাবে খেয়াল করেন তাহলে বুঝতে পারবেন সাইডবার কি ভাবে ব্যবহার করলে শুধু অলংকার হয় না, সাথে সাথে রিডারদের জন্যো ভাল হয়।

উজার ফ্রেন্ডলি রংঃ

একটা সময় ছিল যখন সাইটের ডিজাইন ছিল প্রায় একই রকম। হেডার, ফুটার, সাইডবার আর মেইন কনটেন্ট। কিন্তু, সে দিন এখন ইতিহাস। আপনার যদি উজার ফ্রেন্ডলি একটু রং মেশানো সাইট পছন্দ হয় তাহলে, আপনি সোশ্যাল মিডিয়া এক্সপ্লোরার কে দেখতে পারেন। তবে এমন কিছু কইরেন না যা আপনার ভিজিটর কে কনফিউসড করে দিবে। সব কিছু ঠিক রেখে একটু ডিফারেন্ট করলে কোন সমস্যা নেই।

পপ-আপসঃ

পপ-আপস আপনি যে ভাবে ব্যবহার করে থাকেন তার থেকে একটু ভিন্ন ভাবে যদি আপনি ব্যবহার করতে পারেন তাহলে আপনার সাইটের অনেক ভাল কাজে আসতে পারে। এই ব্লগটা হতে পার তার একটা অসধারন উদাহরণ। এই খানের পপ আপস গুল অন্য যে কোন খানের থেকে অনেক ভাল মানের। সব থেকে ভাল যে কথা গুল লেখা। সাধারণত হটাত করে পপ আপস উঠে এসে শ করে আপনার ডিটেইলস দেন, আপডেট পাঠান হবে। কিন্তু এই ইনফো দেয়ার সময় আমার নিজের একটু চিন্তা হয়। আমার মনে হয় আপনিও তার ব্যাতিক্রম না।  কিন্তু এই “I respect your privacy. Your information stays with me.”লাইনটা যদি তার সাথে যোগ করে দিতেপারেন তাহলে যে কেউ সাবস্ক্রাইব করতে ভয় পাবে না।

 সার্ভিসঃ

আপনার ব্লগে প্রতিদিন আইডিয়া শেয়ার করেন, অন্যদের কে সাহায্য করে থাকন এবং নিজের পার্সোনাল ব্রান্ডিং করছেন। কিন্তু,  এই জায়গটা আপনার বিজনেসর ইনকামের পথ হতে পারে। কি ভাবে নিজের ব্লগ থেকে টাকা ইনকাম করা যায় এইটা ভাল বোঝার জন্য আপনার জন চোও এর ব্লগ টা নিয়মিত দেখা উচিৎ। আপনি কখনই ভুলে যাবেন না আপনার সাইটা প্রডাক্ট সেল করার জন্য না, সুতরাং এমন ভাবে বিজ্ঞাপন গুল দেয়ার চেষ্টা করুন যে ভিজিটর বিরক্ত না হয়।

লিস্টঃ

আপনি যখন কোন ব্লগ অথবা সাইট শুরু করবেন তখন প্রথম দিকে ট্র্যাফিক আপনার সাইটে পাবেন না এইটা স্বাভাবিক। কিন্তু, চেষ্টা করুন একটা লিস্ট রাখার জন্য। যে কেউ এসে যেন বুঝতে পারে আপনার সাইটের সাম্প্রতিক পোস্ট গুল কি ছিল, সব থেকে জনপ্রিয় পোস্ট কোন গুল। সাথে রেখে দেন সাবস্ক্রাইব বাটন। যদি আপনার ভবিষ্যৎ আপনার ভাল মার্কেটিং করার প্লান থাকে তাহলে আপনার জন্য এইটা খুবই জরুরী। এই সাইটটি একটু দেখলেই ভালভাবে বুঝতে পারবেন।

অনলাইন মার্কেটিং এর টপ ব্লগঃ শিষ্য থেকে যে ভাবে গুরু হবেন

অনলাইন মার্কেটিং ইনফগ্রাফিকঃ

আপনার সাইটে যদি ইনফগ্রাফিক তাহলে তাহলে তার ফলাফল কতটা ভাল এইটা দেখার জন্য আপনাকে বিজনেস.কম সাইটটি দেখা উচিৎ। আপনার ইনফগ্রাফিক যদি সুন্দর এবং কাজের হয় তাহলে আপনি যে কোন আর্টিকেলের থেকেও বেশি পরিমানে শেয়ার পাবেন।  এই সাইটে অবশ্য প্রচুর পরিমানে কনটেন্ট পাবলিশ হয় কিন্তু সাথে সাথে অধিকংশ সময় থাকে একটা করে ইনফগ্রাফিক। তাদের আর্টিকেল গুল ওপেন করলেই আপনি ভাল ভাবে বুঝতে পারবেন। আর্টিকেলের সাথে ইনফগ্রাফিক, একটা আর্টিকেলকে নতুন একটা মাত্রা যোগ করে যা আপনাকে আপনার কমপিটিটর থেকে একটু বেশি সুবিধা দিবে।

এবং, কথা হল একটাই। আপনার যদি কোন ব্লগিং অথবা সাইট ওপেন করার চিন্তা করেন তাহলে উপরের সাইট কিছু দিন ঘুরা ঘুরি করেন। আমি ১০০% গ্রান্টি দিচ্ছি, আপনার সময় টুকু বৃথা যাবে না। আপনাকে নতুন ভাবে ভাবতে শেখাবে তারা। আপনি যখন মার্কেটিং এর টপ ব্লগ গুল দেখবেন, তখন আপনার সাইট + প্লান করতে অনেক সুবিধা হবে। আপনি কি উপরের কোন ব্লগ নিয়মিত ফলো করেন? আপনার কাছে কি মনে ঐ সাইটের স্পেসালিটি? আপনার যদি কোন প্রশ্ন, উপদেশ থাকে কমেন্ট করুন।

Leave a Reply