হ্যাকিং বা মাইন্ড হ্যাকিং কি? নিয়ন্ত্রন করুন অন্যের চিন্তা ধারা

হ্যাকিং বা মাইন্ড হ্যাকিং কি? নিয়ন্ত্রন করুন অন্যের চিন্তা ধারা

আমি Scorpione Chief । আজ আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম মাইন্ড হ্যাকিং এর এক ধারাবাহিক পর্ব। আপনি হয়তবা জানেন যে, আমরা প্রতি নিয়ত কোন না কোন ভাবে হ্যাকিং করে চলেছি। বিশেষ করে আমাদের দেশে হ্যাকিং এর প্রচলন বেশি। তবে হ্যা পৃথিবীর সকল গরিব দেশ গুলতে হ্যাকিং এবং হ্যাকার বেশি পাওয়া যায়। যেখানে জীবন যাপন অনেক কষ্টের এবং প্রতিযোগিতার সেখানে একটু চিট আপনাকে একটু আপডেট রাখবে। নোটঃ- অবশ্যই চেষ্টা করবেন সেই অল্প পরিমান চিট জানি শুধু মানব স্বার্থে অথবা নিজের একান্ত প্রয়োজনে ব্যাবহার করার। আপনার বাবাও একজন হ্যাকার যখন তিনি ২৫০০+/= টাকার জোড়া ইলিশ মাত্র ১৬০০+/= সামথিং এ আনেন। সবাই হয়তো সেটা ২৫০০+/= দিয়েই কিনছেন কিন্তু আপনার বাবা সেটা একটু অন্যভাবে একই দোকান থেকে ১৬০০/=+ এই কেনেন।

হ্যাকিং এর অজানা কিছু কার্যক্রম

হ্যাকিং বা মাইন্ড হ্যাকিং কি? নিয়ন্ত্রন করুন অন্যের চিন্তা ধারা

আপনার মা হয়তো ৫০০/=+ এর সিএনজি ভাড়া মাত্র ৩০০/=+ দিয়েই যাতায়েত করছেন।

হ্যাকিং বা মাইন্ড হ্যাকিং কি? নিয়ন্ত্রন করুন অন্যের চিন্তা ধারা
হ্যাকিং

হ্যাকিং বলতে আমি এখানে মাইন্ড বা পরিবেশ হ্যাকিং এর কথা বলছি। কারন আপনি হয়ত চান না যে সাধারন কোন ব্যাক্তির মতন আপনিও সকলের কাছে পরিচয় লাভ করেন। সবাই চান যে অন্যের থেকে একটু আলাদা থাকতে। হুম বিশেষ করে মেয়েরা এই জিনিসটি বেশি পছন্দ করে। তবে হ্যা ছেলেদেরও সব থেকে একটু আলাদা মেয়েটিকে চাই। হ্যাকিং এমন এক জিনিস যা জেন্ডার বা বয়স মেইন্টেইন করে চলে না।

হ্যাকিং বা মাইন্ড হ্যাকিং কি? নিয়ন্ত্রন করুন অন্যের চিন্তা ধারা

ছেলে মেয়ে উভয় হ্যাকিং এর জন্য নির্বাচিত। হ্যাকিং এমন এক মাধ্যম যার মাধ্যমে নিজেকে একটু আলাদা করে নেওয়া যায়। মন বিজ্ঞানী ‘র মতে সৃষ্টির সূচনা থেকে মানব জাতির এই আলাদা বৈশিষ্ট্য বা এমন কোন বস্তু যার পরিমান অনেক কম কিন্তু চাকচিক্যের এরকম জিনিসের প্রতি আগ্রহ একটু বেশিই থাকে (আমি জানি না যে, এই মন বিজ্ঞানী বা কে ছিলেন! 😛 ) আমি কেন আপনারা হয়ত সবাই মানবেন যে সব মানুষ কোন না কোন বিষয় বা বস্তুর উপর বিশেষ পারদর্শীতা থাকে। হ্যা আপনি হয়ত যেই জিনিসটা পারেন আমার সেই জিনিসটা উপর কোন আইডিয়ায় নেই। ঠিক এরকম প্রত্যেক মানুষের উচিত নিজের বিশেষ বৈশিষ্ট্যের উপর নজর দেওয়া। অন্যরা কি পারলো না পারলো সেই জিনিসের প্রতি নজর দেওয়ার কোন মানেই হয় না। পৃথিবীতে যারা বিশিষ্ট ব্যাক্তি বর্গ রয়েছেন তারা নিজস্ব পারদর্শিতার উপর জোর দেওয়ার ফলেও তারা এতোটা উন্নত। “আমি আপনার সেই স্টেপটাকে ভয় করি না যেটি আপনি কিছুদিন আগে শিখলেন, আমি সেটাকেই ভয় করি যেটা আপনি বার বার করেছেন এবং অনেক আগে থেকে করেছেন”।

কথায় আছে না ‘যেখানে নিয়ম আছে, সেখানে নিয়মের ফাঁকও রয়েছে’। তবে এই নিয়মের অন্তরালে বাগ খোঁজা কিন্তু সাধারণ আমজনতার জন্য নয়। সাধারণকে অসাধারণ ভাবে ভাবতে শেখা অল্প সংখ্যক মানবই এই আহ্বান গ্রহণ করার ক্ষমতা রাখে। আর এখনকার তথ্য প্রযুক্তির যুগ এতটাই স্রোতের ধারার মত বহমান যে নিয়মকে অনিয়ম করা একটু চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রযুক্তির নিত্য নতুন আপডেট এখন বড় বড় হ্যাকারদেরও ভাবিয়ে তুলছে। তবুও প্রযুক্তি যতই আপডেট হোক না কোথাও না কোথাও বাগ তো সর্বদা থেকেই যায়। কারন মানুষ কোন কিছুই ১০০% দিতে পারে না, সৃষ্টি কর্তা কর্তিক এটা একটা বাঁধা স্বরূপ। তবুও আমরা অন্তত ৯৯% ভালো করার চেষ্টা করতে পারি। কিন্তু কিছু মানুষ রয়েই যায় যারা কোন আপডেটকে তোয়াক্কা করে না। হ্যাকিং এর ভাষায় তাদেরকে লীট+ বলা হয়।

হ্যাকিং বা মাইন্ড হ্যাকিং কি? নিয়ন্ত্রন করুন অন্যের চিন্তা ধারা
হ্যাকিং

লাইফ হ্যাকার ব্যপারটা নিয়ে আপনারা হয়তো বাহিরের চ্যানেলে এই বিষয় সংক্রান্ত অনেক টিভি শো দেখেছেন। আমার মনে হয় না লাইফ হ্যাকার নিয়ে কোন ব্লগে বিস্তর লেখা হয়েছে। আজ আমি ভিন্য ধর্মি একটা সিরিজ করতে চলেছি। এটা আমার প্রথম পোস্ট দেখেই একটু বেশি বেশি আজাইরা লিখা হয়ে যাচ্ছে। জানি না আপনারা বিষয়টা কিভাবে নিবেন! তবে আমি এতটুকু বলতে পারি আমার সিরিজটির সাথে থাকলে অবশ্যই কিছু শিখতে পারবেন এবং বাস্তবিক লাইফে কাজে লাগাতে পারবেন। আমি এখানে কিছু বাস্তবতাকে নিয়ে পার্ট বাই পার্ট আলোচনা করবো। আমার পর্ব গুলোর কিছু কাহানী সাধারণ কিছু মানুষ বা আমার ব্যাক্তিগত জীবন থেকে নেওয়া। শিখাবো এরকম কঠিন পরিস্থিতি থেকে নিজেকে কিভাবে উদ্ধার করা যায়।

ধরুন ঈদের সময় আপনি খুব সখ করে একটা রেয়বনের অরিজিনাল ফর্মাল গ্লাস কিনলেন। মনে রাখবেন সেটা আপনার অনেক বাছাই ক্রিত  ১০+ দোকান ঘুরে কমছে কম ১০০০+ চশমা থেকে বাছাই করে কিনলেন। আরও তার সাথে যদি আরও একটু যুক্ত হয় যে এই চশমাটা কেনার জন্য আপনি লাস্ট এক উইক ধরে অধীর আগ্রহে বসে ছিলেন। আই মিন আপনার ফেবরিট কোন সিলেক্টেড মডেল! আবার এরকম যদি হয় আপনার খুব কাছের কোন ব্যাক্তি থেকে গিফট পাওয়া। বিষয় গুলোতে অবশ্যই ফোকাস করবেন। আর না হলে পরবর্তী ডিস্ক্রাইভ গুলো অতো ভালো ভাবে বুঝতে পারবেন না। আচ্ছা যাই হোক আমরা ধরে নি আপনি উপরের যেকোন ভাবে একটা চশমা লাভ করলেন। যেহেতু নতুন চশমা আরও এর উপর আপনার অনেক পচ্ছন্দের আপনি হয়তো অবশ্যই চাইবেন বিশেষ দিনে চশমাটা পরিধান করতে।

হ্যাকিং বা মাইন্ড হ্যাকিং কি? নিয়ন্ত্রন করুন অন্যের চিন্তা ধারা

(এখানে আপনি যদি বিশেষ কোন ক্রিপন স্বভাবের লোক হন তাহলে  ভিন্য কথা)। তো এস ইউসুয়াল আপনি একটি বিশেষ দিন যেমন ঈদ/পুজা/__ ইত্যাদি কোন আয়োজনে আপনার চশমার ব্যবহার করলেন। সাধারণত আমাদের সহজাত প্রবৃদ্ধি আমাদেরকে একটু দামি বা একটু আকর্ষণীয় জিনিসটিকে শো অফ করতে শেখায়। সো, আপনিও তাই করলেন। একটু  সময় পর লক্ষ্য করলেন যে চশমার ডিফল্ট গ্লাসটা একটু বেশি পাওয়ারি বা অস্বস্তিকর। আপনি কিন্তু সেটাকে কখনই পকেট বা কোথাও রাখতেও চাইবেন না কারন ওই যে আপনার সহজাত প্রবৃদ্ধি বলবেন শো অফ করতে। আশলে কি হয় যখন আমরা ঘুরতে যাই তখন নিশ্চই আমরা কোন রেস্তরাঁতেও ঢোকার আগ্রহ পোষণ করি। আরও যদি বেড়ানোর সময় একেবারে কাছের কেও থাকে তাহলে তো আর কথাই নেই। ও হ্যা আরেকটা কথা রেস্তরাঁর মান অবশ্যই পকেটের সমানুপাতিক এবং আত্মার ব্যস্তানুপাতিক। এখানে আপনার মন এবং টাকার কম্বিনেশন আপনাকে বড় কোন রেস্তরাঁয় বা ছোট কোন ফুতফাত টাইপকেই বেছে নিবে। এখন আপনি এমন একটা রেস্তরাঁ কল্পনা করুন যেখানটা অনেক পাব্লিক এন্ড সেখানে ৫০% অফ চলছে। এবং মানটাও তেমন্ নয়। আমি বোঝাতে চাচ্ছি এমন এক রেস্তরাঁ বা পাব্লিক প্লেসে খাবার দোকান যেখানের স্টাফরাও অনেকটা ডিসঅনেস্ট টাইপস। আরেকটা কথা চাকচিক্যের প্রতি লালসাও একজন মানুষের সহজাত প্রবৃদ্ধির মধ্যে পরে। আর চশমা জিনিসটাও এ যুগের কমন ফ্যাশন। সো এরকম এক সময় আপনি আপনার ফেভরিট চশমাটা ওই রেস্তরাঁয় ফেলে আসলেন। ঈদে মানুষ সাধারণত বাসার আশে পাশের প্লেস গুলতে ঘুরতে যায় না। আরও তারউপর যদি আপনার সাথে আপনার কোন সুন্দরি জিএফ থাকে তাহলে তো কথায় নেই। কারণ বিপদ তো আর বলে কয়ে আশে না আর আপনি বুদ্ধিমান ছেলে হলে কখনোই চাইবে না যে ব্যাপারটা আপনার পরিবার ফেইস করুক। সুতরাং আপনি অবশ্যই দূরে কোথাও আপনার প্রিয়তমাকে নিয়ে ঘুরতে বের হবেন। সুতরাং ব্যাপারটা হচ্ছে আপনি আপনার প্রিয়তমাকে নিয়ে ঘুরতে বের হলেন এবং একটা সময় রেস্তরাঁতে ঢুকলেন। এবং একটা পর্যায়ে আপনার প্রিয় গ্লাসটা রেস্তরাঁর টেবিলে ফেলে আসলেন এবং বাসার খুব নিকটে চলে এসে মনে পড়লো যে আপনার গ্লাসটা আপনার পাশে নেই। তখন আপনি কি করবেন?

১) পাওয়ার আশা হারিয়ে ফেলবেন এবং চলে যাবেন?

২) আরেকটা কেনার জন্য ভাববেন?

৩) পূর্বের যায়গায় ফিরে ব্যাপারটাকে অনুসন্ধান করবেন?

৪) নাকি ব্যাপারটাকে কারো সাথে শেয়ার করবেন?

আপনি যদি ৪) ব্যাপারটা কারোর সাথে শেয়ার করেন? তাহলে অনেক ভুল করবেন! কারণ এস ইউসুয়াল আপনাকে সবাই সাযেস্ট করবে ব্যাপারটাকে নিয়ে না ভাবতে। এখানে তারা যুক্তি দেখাবে যে একে তো পাবলিক প্লেস তার অপর রেস্তরাঁ আপনার রেখে আশা জিনিসটি পাওয়া কোয়াইট ইম্পসিবল।

আপনার উত্তরটা যদি ১) পাওয়ার আশা হারিয়ে ফেলবেন এবং চলে যবেন? হয় তাহলে আপনি আবারো ভুল করতে চলেছেন। আপনি হয়ত জানেন না যে পাওয়ার আশা সেই পর্যন্তই করতে হয় যে পর্যন্ত আপনি ধৈর্য ধরতে সক্ষম। বুদ্ধিমান লোক কখনোই শেষ না দেখে পিছ পা হোন না। (নোটঃ- এই কথাটি শুধু ব্যাক্তি ও বস্তু সাপেক্ষে প্রযোজ্য)।

২) আরেকটা কেনার কথা ভাবাটাও স্বাভাবিক। কিন্তু এটাও পরিস্থিতির অপর নির্ভরশীল কিন্তু এখানেও আপনি ভুল করছেন। আপনি যদি মধ্য বিত্ত পরিবারের হোন তাহলে সেটা আপনার অর্থনৈতিক ভাবে ঝামেলার সৃষ্টি করবে। “তবে আমি মনে করি সর্বদাই প্রত্যেকটি জিনিসের সমাপ্তি করা”। সুতরাং এই অপ্সনটাও ফ্লপ।

এখন থাকলো ৩) পূর্বের যায়গায় ফিরে ব্যাপারটাকে অনুসন্ধান করা। হ্যা আপনি যদি ব্যাপারটি অন্য কারোর সাথে শেয়ার করেন তাহলে সে অবশ্যই আপনাকে কনফিউসড করে দিবে। এটাও মানুষের এক ধরনের সহজাত  প্রবৃদ্ধি। সলিউশন দিতে পারুক বা নাই পারুক ইলিউশনের মধ্যে ভালোই ফেলতে পারে। তবে এরকম একটা মানুষের সাথে শেয়ার করুন যে আপনার মত ভাবতে পারে। সবাই আপনাকে হয়তবা বলবে ৯৮% পাবি না। আরও আপনাকে আশাহত করবে এবং আপনার মন মানুষিকতাকে ছোট করে দেবে। ওই যে বললাম তারাই আপনাকে সাহায্য করবে যারা অসাধারণ বা একটু আনকমন চিন্তা ভাবনা করতে পারে। আপনি ব্যাপারটা সাধারণের মাঝে শেয়ার করেই দেখুন উত্তর কি পান।

ধরে নিলাম আপনি অসাধারণ ভাবে ভাবতে ইচ্ছুক!

সো, এখন আপনি যায়গাটায় গেলেন এন্ড আপনার সহজাত প্রবৃদ্ধির ন্যায় আগেই আপনার বসা সিট-টির কাছে যেয়ে খোঁজার চেষ্টা করবেন। কিন্তু গেলেন এন্ড দেখলেন আপনার রেখে যাওয়া যায়গাতে আপনার প্রিয় গ্লাসটি নেই। তখন এখানে ৪০% মানুষ আশা হারিয়ে ফেলেন। তাদের অনেকে এই পর্যায় থেকেই চলে যান। কিন্তু হ্যা তারা সাধারণ ভাবে ভাবে আপনি না হয় একটু অসাধারণ ভাবেই ভাবুন। একটা জরিপে দেখা গেছে রেস্তরাঁতে সাধারণত আমজনতা পড়ে থাকা জিনিস নিজের মনে করে বাসায় নিয়ে যাওয়ার প্রবণতা খুব কম থাকে :D। আপনি নেক্সট স্টেপ স্টাফদেরকে ব্যাপারটা জানান। দেখুন ওনারা কি বলে। যদি সে ওনেস্ট হয় তাহলে আপনার থার্ড স্টেপে যাওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। সাধারণত ওনেস্ট ব্যাক্তি গরিব কাউন্ট্রি গুলোয় খুব রেয়ার। সুতরাং সে এক কথায় হয়তো বলে ফেলবে যে, “না আমরা পাই নি”। দেন এখানে একজন সাধারণ মানুষ ১০০% তার পাওয়ার নিশ্চয়তা হারিয়ে ফেলবেন। এখানে আপনি কি করবেন? =) আপনি অবশ্যই নেক্সট স্টেপ ফলো করুন। আপনি তাকে এমন এক ব্যখ্যা উপস্থাপন করুন যেটাতে আপনার জিনিসটির প্রতি তার বিরুপ মনোভাব সৃষ্টি হয়। যেমন আপনার বস্তুটির নেগেটিভ টাইপ উপস্থাপন করুন। এটা অবশ্যই আপনার হারিয়ে যাওয়া বস্তুর ভিত্তিতে ব্যখ্যা প্রদান করবেন। নজর রাখুন লোকটির আচরণের দিকে। দেখুন সে কি বলতে চাচ্ছে। লায়ার ব্যক্তিদের ধরাটা কোন ব্যপার না আপনি চাইলে পারবেন। (নোটঃ- এখানে লায়ার ব্যক্তি ফাইন্ড আউট করার জন্য আপনার একটু বাস্তব ধর্মি হতে হবে) সেটা না হয় আমার নেক্সট পার্টটাতে শিখিয়ে দেব। সাধারণত চোর কখনোই স্বীকার করবে না যে, সে চুরি করেছে। আপনাকে এমন এক পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে যাতে সাপ ও না মরে লাঠিও না ভাঙ্গে। স্বাভাবিক ভাবে সে এক কথায় না বলবেন। তখনও আপনি আশাহত হবেন না। মনে রাখবেন কিছু কিছু জিনিস বস্তুর মান অনেক কমিয়ে দেয়। উদাহারন সরূপ আপনি একটা গাড়ি কিনতে গেলেন। গাড়িটি আপনার সব দিক থেকেও পচ্ছন্দ হয়েছে। আপনি একটু চেক করে দেখলেন এবং ভাবলেন এটা আপনার জন্য পারফেক্ট। আপনি তারপরও অবশ্যই গাড়ীর মালিককে জিজ্ঞেস করবেন গাড়ীর কন্ডিশনের কথা। এখন সে যদি উত্তরটা এমন দেয় গাড়ীর সব কিছুই ভাল শুধু মাঝে মধ্যে ব্রেক কাজ করে না। আপনি কি গাড়ীটি কখনোই কিনবেন?

হ্যাকিং বা মাইন্ড হ্যাকিং কি? নিয়ন্ত্রন করুন অন্যের চিন্তা ধারা

আমার মনে হয় না কিনবেন। ঠিক এরকম কিছু কিছু টেগ মার্ক পন্যের দাম কমিয়ে দেয়। এসকল ব্যপারেও আমি ইনশাআল্লাহ্‌  ভবিষ্যতে আলোচনা করবো। আচ্ছা যাই হোক আপনি নজর দিন এমন কোন সিস্টেমের অপর যা একদমি মৌলিক কিন্তু আপনার বস্তুর উপর কার্যকর বিরুপ মনোভাব সৃষ্টি করার জন্য যথেষ্ট। এখানে আপনার হারিয়ে যাওয়া বস্তুটি হচ্ছে “চশমা” এখন আপনি কি এমন ব্যখ্যা উপস্থাপন করলে স্টলার আপনার চশমা দিয়ে দিবে? এর উত্তরটা আপানারা আপনাদের মত অবশ্যই আমাকে কমেন্ট বক্সে জানবেন। এখানে আমার দিক থেকে উত্তরটা হচ্ছে তাকে বলুন যে, চশমাটা তুলনামূলক পাওয়ারি ছিল। এবং এটি ডক্টর কর্তিক দেওয়া হয়েছে। এখন আপনি তার দৃষ্টি ভঙ্গি ফলো করুন এবং কথা না বাড়িয়ে যথা সম্ভব সম্ভাষণ জানিয়ে ওই যায়গা ত্যাগ করার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন কখনোই রাফ ভাবে কথা বলবেন না অবশ্যই বিনয়ের সাথে বলুন। আপনি ইচ্ছে করলে আরও কিছু এড করতে পারেন যেমন চশমা ছাড়া আপনার একটা দিন কল্পনা করা দুষ্কর ইত্যাদি ইত্যাদি। এখানে সে বা কোন স্টাফ যদি পেয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনাকে চলে যাওয়ার আগে আবার ডাকবে। আরেকটা জিনিস মনে রাখা বাঞ্চনিয় যে এই সকল আলাপার সময় লক্ষ্য রাখুন অন্যান্য কাস্টমার থেকে সে একটু আলাদা থাকে। অবশ্যই বেশি ব্যস্ততা পূর্ন সময় সে কখনোই আপনাকে সাহায্য করতে চাইবে না। যেহেতু সে না বলেই ফেলেছে প্রথমে সুতরাং সে কখনোই ওই মুহূর্তে আপনাকে আপনার পাওয়া চশমাটি ফেরত দিতে চাইবে না। আপনি এরকম একটা মমেন্ট ক্রিয়েট করুন যাতে সে আপনার সাথে পরবর্তীতে যোগাযোগ করতে পারে। আপনি হয়তো তাকে বলতে পারেন যে, যদি সে পরবর্তীতে চশমাটা পেয়ে থাকে তাহলে অনুগ্রহ করে যেন আপনার সাথে যোগাযোগ করে। আপনি তাকে ফোন নাম্বারটি দেওয়ার পাশা পাশি বলতে পারেন যে আমি যদি কালকে একবার খোঁজ নিতে আশি তাহলে কেমন হয়। তখন কালকের জন্য অপেক্ষা না করে সে বলেই ফেলবেন যে, যদি আমি পেয়ে থাকি তাহলে অবশ্যই আপনাকে ফোন করে জানিয়ে দিব। এখন আপনি তাকে বিদায় সম্ভাষণ দিয়ে চলে আশুন। অপেক্ষা করুন মিনিমাম ২০ মিনিট। থাকুন দোকানের আশে পাশেই। দেখেবেন সে ২০ মিনিটের মধ্যেই ফোন দিয়ে জানিয়ে দেবে যে, সে আপনার চশমাটি পেয়েছে। এটাই ছিল আজকের পর্বের এক ছোট্ট মাইন্ড হ্যাকিং এর বিস্তর ব্যখ্যা 😀 । আশাকরি আপনারা সম্পূর্ণ ব্যাপারটাকে উপভোগ করেছেন। উপরোক্ত ঘটনার উপর আপনার কাছে আমার থেকেও ভালো আইডিয়া থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করতে ভুলবেন না।

Leave a Reply